আজ আমরা কু-ঝিকঝিক করে একটু নস্টালজিক হচ্ছি। ছোটবেলায় বাড়িতে শুনেছি এভাবে লেখাপড়ায় ফাঁকি দিলে চায়ের দোকানে কাজ করে খেতে হবে। একটু বড় হয়ে কানে এল, যা গিয়ে বিড়ি বাঁধ তারপর দেখ, কেমন লাগে।
তোরা যে যা বলিস ভাই, আমার “চিড়িয়াখানা” চাই। হীরক রাজার শখ বলে কথা, অমান্য করলেই কল্লা যাবে। তৈরি হল খাঁচা, বন্দি হল বাঘ, সিংহ, ছুচো, শেয়াল। বিদেশ থেকেও আসতে লাগল পশু, পাখি। স্পেশাল
প্রতিদিন টিভি চ্যানেলে, খবরের কাগজে, দোকানে-বাজারে যে সব প্রতিবেদন, আলোচনা আমাদের চোখে পড়ে, তাতে অনেক মানুষের তীব্র ক্ষোভ আর নয়তো হতাশা। কেন জিজ্ঞাসা করলে, উঠে আসবে নানান কারণ। কোনোটা রাজনৈতিক, কোনোটা সামাজিক, কোনোটা
আজকের পঞ্চব্যঞ্জন এই সপ্তাহের প্রথম তিনদিনের গপ্পো যার প্রথম দুদিন বনধ এবং তৃতীয়দিন সরকারী ছুটি। তবে কথা দিচ্ছি ফালতু হেজাবো না। কারণ আমাকে পইপই করে বলে দেওয়া হয়েছে “ডিজিটাল” মানুষ বড় লেখা পছন্দ
দক্ষিণ কলকাতার কালীঘাট অঞ্চলে টালির চালার পাশে তিরিশটার বেশি প্লটের মালিক মাননীয়ার পরিবার। কোটিপতি ভাই-ভাইপো। অদূরেই গজিয়ে ওঠা ভাইপোর প্রাসোদপম “শান্তিনিকেতন”। এসবেরই মূলে “পরিবর্তন চাই” দাবির সাথে তাল মিলিয়ে গত এক দশকের পরিবর্তিত