তিনি এলেন। বললেন। কিন্তু জমলো না। ভাইপোকে ডেয়ারডেভিল তকমা দিয়ে শুরুটা স্টাইলে করলেও, ব্যাপারটা যে জমছে না, কোথাও যে একটা ছানা কেটে যাচ্ছে নিজেই বুঝতে পারলেন। আর তারপরই যা তিনি আজ পর্যন্ত কোনদিন
তৃণমূল সরকার মানেই দুর্নীতির পাহাড়, জনমানসে ক্রমশঃ এমন একটি ছবি তৈরি হচ্ছে। পরিবর্তনের জমানায় গত একদশকে একের পর এক শীর্ষ নেতৃত্ব যেভাবে নিজেদের তৈরি দুর্নীতির জালে নিজেরাই জড়িয়ে গিয়ে জেলের ভাত খেয়েছেন বা
এই রাজ্যে যখন একজন সাধারণ মানুষ প্রাক্তন মন্ত্রীর দিকে তাক করে জুতো ছোড়েন, তখন সংবাদমাধ্যম প্রশ্ন করে, “আপনি কি খালি পায়ে বাড়ি যাবেন?” আসানসোল আদালত চত্বরে “গরুচোর” বলে কেউ চিৎকার করলে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্ন,
১৯ জন নেতার সম্পত্তি বৃদ্ধি সংক্রান্ত মামলায় ইডিকে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এবার সেই নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী, সমবায় মন্ত্রী এবং পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী। এর পরে সিপিআইএম নেতা
মিডিয়াতে আজ হঠাৎই কয়েকটি চ্যানেল প্রশ্ন তুলেছে, বাম-কংগ্রেসের সেটিং তত্ত্বের বা বিজেমূল তত্ত্বের কোন গ্রহণযোগ্যতা আর রইল কি? যেখানে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় হাজতে গেলেন, তারপরে মুখ্যমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী তিন-তিনবার দিল্লিতে সাক্ষাত করার পরেও গ্রেফতার
আরও সংকটে পড়ে গেল রাজ্যের শাসক দল। গত সোমবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে আইনজীবী শামিম আহমেদ ১৯ জন নেতা-মন্ত্রীর একটি তালিকা-সহ তাঁদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসেব দিয়ে