ঈদের দিন রেড রোড আটকে নমাজ পড়া উচিত না। কারণ লোকজনের যাতায়াতের অসুবিধা হয়। এটাই ছিল বিজেপির যুক্তি! যদিও সেদিন রাষ্ট্রীয় ছুটির দিন। স্কুল-কলেজ-অফিস সব বন্ধ থাকে। তর্কের খাতিরে না হয় মানা গেল…
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অভিধানে নতুন এক গণআন্দোলনের জন্ম হয়েছে। একসময় জুতো ছিল প্রতিবাদের প্রতীক, পরে কালো পতাকা। এখন সেই ঐতিহাসিক ধারাকে অতিক্রম করে আমরা পৌঁছে গেছি উন্নততর, প্রোটিনসমৃদ্ধ এক রাজনৈতিক অস্ত্রে, যার নাম ডিম।
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন রেলস্টেশনে হকার উচ্ছেদের অভিযান চলছেই। এবার খবর আসছে, বহু রেলবাজার ও স্টেশন সংলগ্ন এলাকাতেও উচ্ছেদের নোটিশ পৌঁছতে শুরু করেছে। প্রশাসনের ভাষায় এগুলো “অবৈধ দখল”। কিন্তু রাষ্ট্রের অভিধানে যেটি “দখল”, বাস্তব জীবনে
ফলতার উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে প্রথম নজরে যে ছবিটা চোখে পড়ে, তা খুব স্পষ্ট। বিজেপির বিপুল জয়। এক লক্ষেরও বেশি ভোটের ব্যবধান। তৃণমূলের অস্বস্তিকর পতন। কিন্তু এই ছবির ঠিক নীচে আর একটি স্তর
ডিএ বা ডিয়ারনেস অ্যালাওয়েন্স যাকে বাংলায় বলে মহার্ঘ্যভাতা তা নিয়ে লড়াই বহুদিনের। সিপিআই(এম) আমলেও সরকারি কর্মচারীদের ডিএ বকেয়া থাকতো। তা নিয়ে সরকারি অফিসগুলোর অলিন্দে কর্মচারীরা আন্দোলনও করতেন। তাতে বাম বিরোধী নেতানেত্রীরা অংশও নিতেন।
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় সংকট কোনও একক দলের নয়, বরং বিরোধী রাজনীতির বিশ্বাসযোগ্যতার। কাগজে-কলমে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল এখনও ভারতীয় জনতা পার্টি। কিন্তু রাজনীতি শুধু বিধানসভায় আসনের হিসেব নয়। রাজনীতি হল