ইনসাফ বা ন্যয়বিচার! কিন্তু কিসের ইনসাফ! চাকরি না পাওয়ার। পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে পরিবার-পরিজন ফেলে পেটের দায়ে দেশ-বিদেশ পাড়ি দেওয়ার। ১০০ দিনের প্রকল্পে কাজ বা আবাস যোজনার ঘর না পাওয়ার। ফসলের ন্যায্য মূল্য না
দিনটা ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেছিলেন, তৃণমূলের সন্ত্রাস কায়েমী স্বার্থে হচ্ছে এবং মমতা বন্দোপাধ্যায় এই বিষয়ে জানেন কিনা তাই নিয়ে তিনি সন্দিহান। তারপর ভাগীরথী দিয়ে যেমন অনেক জল গড়িয়েছে,
বছর গড়ালেই লোকসভা নির্বাচন। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বচনের পরে উপনির্বাচন, পৌর নির্বাচন আর দিনকয়েক আগে হয়ে যাওয়া পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর অনেক “খেলা”ই বদলেছে। আর এই কয়দিনে বাঙলার চার প্রধানের খেলা ঠিক কতখানি বদলালো, সেটা
ঘটনাক্রমে দুর্ঘটনাও কিভাবে সাধারণ গা-সওয়া ঘটনা হয়ে যায়, তা নিয়ে একটা মোক্ষম গপ্পো লিখেছিলেন নারায়ন গঙ্গোপাধ্যায়। গপ্পের প্রধান তিন চরিত্রের বড় তরফের লোভ খুব, পরিণতিজ্ঞান পোক্ত নয়। তিনি ফুচুদা। ভারী বামুন ভোজন খাওয়ার
আগামী ৮ই জুলাই আসছে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন। কমিশনের হিসেবে জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি, গ্রাম পঞ্চায়েত মিলিয়ে মোট ভোট হওয়ার কথা ছিল ৭৩,৮৮৭ কেন্দ্রে। কিন্তু তা হচ্ছে না। ৯,০০০ এর বেশি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়
বাঘ তিহারে। কিন্তু বাঘের বানর সেনারা এখনো আছেন বীরভূমে, তাই কেষ্ট ম্যাজিক এখনো কিছুটা হলেও আছে। যেমনটা হয়েছে আজ দুবরাজপুরে। বীরভূমের দুবরাজপুর, গত বিধানসভা নির্বাচনে সেই আসন তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে ৪,০০০ ভোটের ব্যবধানে