মুখ খুললেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক। তিনি কোন যে সে লোক নন। একসময় বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি ছিলেন। তারপর মোদি জমানায় একে একে বিহার, জম্মু-কাশ্মীর, গোয়া এবং মেঘালয়ের মত চার
একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগে বিধ্বস্ত রাজ্যের শাসক দল, লাইটওয়েট থেকে হেভিওয়েট নেতাদের কেউ কেউ জেলে, কেউ কেউ ইতিমধ্যেই পেয়েছেন আদালত, সিবিআই, ইডির ডাক, বাকিদের অধিকাংশই অপেক্ষারত। এর সাথে যোগ হয়েছে শাসকদলের সাগরদিঘী
সময়টা ২০১৭-১৮ সাল। ‘আগে রাম পরে বাম’, এই ছিল স্লোগান। বাংলা থেকে বাম হঠাবার এটাই ছিল আসল মন্ত্র। সেই মন্ত্র জপেই বামকে শূন্য করে বাংলার সংসদীয় রাজনীতিতে বিজেপির উত্থান। তাতে যোগ্য সঙ্গত দিয়েছিল
হঠাৎই ছোটবেলার দু’কলি কবিতা মনে পড়ে গেলো! “হাট বসেছে শুক্রবারে,বকশিগঞ্জে পদ্মাপারে।জিনিষপত্র গুছিয়ে এনে,গ্রামের মানুষ বেচে কেনে।” ঐ যাকে বলে ছোটবেলার নস্টালজিয়া…. সেটা’ই আর কি! বাঙালীর শৈশবের সাথে রবি ঠাকুরের ‘সহজপাঠ’ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বছর
খবর জিনিষটা ভালো। কিন্তু ‘হাফ খবর’…. মানে আপনাকে একটা খবর দেওয়া হলো অথচ এই খবর সংক্রান্ত সবপক্ষের বক্তব্য যাথাযথভাবে তুলে ধরা হল না, বা খবরের ‘সত্য-মিথ্যা’ সেভাবে যাচাই করা হলো না। তাহলে সেটাকে
‘খেলা হবে’ স্লোগানটাই গত বিধানসভা টুর্নামেন্টের থুড়ি নির্বাচনের মূল এজেন্ডা ছিলো বলাটা অত্যুক্তি হবেনা। প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে ভোট দেওয়া ছাড়া দেশ পরিচালনায় (বা রাজ্য) বিশেষ কোনো ভূমিকা থাকে না জনসাধারণের। ওয়েল ইনফর্মড ভোটার গণতন্ত্রের