কালা ধন ফেরৎ চাইতে গেলে নোট ব্যান, প্রশ্নপত্র কঠিন হলে বিবিসি ডকুমেন্টারি ব্যান, গল্প পছন্দ না হলে সিনেমা ব্যান আর পঞ্চায়েত পরিষেবা না দিলে ভোট ব্যান। এত ব্যান ব্যান করতে করতে দেশের মানুষের
মুখ খুললেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক। তিনি কোন যে সে লোক নন। একসময় বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি ছিলেন। তারপর মোদি জমানায় একে একে বিহার, জম্মু-কাশ্মীর, গোয়া এবং মেঘালয়ের মত চার
আমরা রাইজ অফ ভয়েসেস। আমাদের কোন রাজনৈতিক দলের হাতে টিকি বাঁধা নেই। তাই স্পষ্ট কথায় কোন কষ্ট নেই। শিয়রে উত্তর-পূর্ব ভারতের তিন রাজ্যের বিধানসভা ভোট দেখেও বিগত একমাস আমাদের দেশের সবকটা বিরোধী দল
“কেউ আছনি, আমার কাকুরে কাইট্যা ফেলাইছে….” ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ত্রিপুরার মানুষের অসহায়, আর্ত চিৎকারের এটাই প্রতিধ্বনি! তাদের অপরাধ, তারা সিপিআইএম দলকে সমর্থন করে। শুধু এক জায়গায় নয়, ত্রিপুরার দিকে দিকে
হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট নিয়ে আমাদের প্রতিবেদন “হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট ও কিছু জরুরী প্রশ্ন” পড়ে আমাদের অনেক পাঠক ও শুভাকাঙ্খীর ভুরু কুঁচকে গিয়েছিল। আদানি গ্রুপ অফ কোম্পানিজের শেয়ারগুলি যখন বাজারে তাসের ঘরের মত ভেঙ্গে পড়ছে, তখন
বাজার মাল কেনা-বেচার জায়গা। সেখানে সততা-শঠতা হাত ধরাধরি করে চলে। পাঁচমেশালি লোকের ভিড়ে কে সৎ, আর কে অসৎ তা আলাদা করে চেনা বা জানা, সাধারণ মানুষের কম্ম নয়। তারজন্যই দেশে সরকার ও তার