১৯শে ডিসেম্বর ছিল কলকাতার পুরভোট। সেই উপলক্ষে ধরা পড়ল ভিন্ন স্বাদ ও মাত্রার নানা ছবি। ইদানীং গণতন্ত্রে জনগণের খুব একটা আধিপত্য থাকে না। বরং ভোট এলেই শাসকদল তার ভাড়াটে সংবাদ মাধ্যম এবং বাহুবলী
সাম্প্রতিক WID.world প্রকাশিত বিশ্ব অসাম্য রিপোর্ট ২০২২ জানালো যে ভারত এখন এক চরম অসাম্যের দেশ। এখানে এই মুহুর্তে ধনী-দরিদ্রের মধ্যে আকাশ পাতাল ব্যবধান। নীচের তথ্য তিনটিতে একটু চোখ বোলালেই ব্যাপারটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।
সমস্ত শাসকই তার ভোটিং মেশিনারি তৈরি করে। যে যখন ক্ষমতায় থাকে, সে তখন স্বাভাবিক ভাবেই চায়, ক্ষমতা ধরে রাখতে। তার জন্যে পাড়ার মস্তান সমাজবিরোধীদের আশ্রয় দেয়। সব্বাই! কেউ কম, কেউ বেশি। তবে সেটা
এরা কেউ কোন নেতা-মন্ত্রীর ছেলে মেয়ে বা বৌ নয়, নয় কোন কেষ্টবিষ্টুর ভাইপো, কিম্বা ভাইয়ের বউ। এরা তোয়ালে মুড়ে ঘুষ খায়নি বা কাটমানি চায়নি। এরা পাড়ায় পুকুর বুজিয়ে প্রমোটারি করেনি। চলায়ানি ইমারতি চুন
আজকে আর কোন ভ্যানতাড়া নয়! একদম নম্বর কথা বলবে। আমাদের বুঝিয়ে দেবে কে এগিয়ে আর কে পিছিয়ে! ঘটনার সূত্রপাত দশ-পনেরো দিন আগে। হঠাৎ একটা মেসেজে চোখ আটকে গেল! কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির নিরিখে কলকাতা
১১ই ফ্রেব্রুয়ারী,২০২১। বাম ছাত্র যুবদের ডাকে চাকরি ও কর্মসংস্থানের দাবিতে নবান্ন অভিযান! আর সেই ছাত্র-যুবদের মিছিলকে প্রতিহত করতে নির্বিচারে লাঠিচার্জ করা হয় পুলিশের তরফে। অভিযোগ, রাস্তা বন্ধ করে চারিদিক থেকে ঘিরে ধরে চাকরী