আমরা যারা ‘রাইজ অফ ভয়েসেস’ চালাই এবং কেন্দ্র ও রাজ্য দুই শাসক পোষ্য মিডিয়ার চিতা জ্বালাই তারা ঘটনাচক্রে সবাই জেনারেশন ‘এক্স’ ও শুরুর দিকের জেনারেশন’ওয়াই’ যাদের আদুরে নাম মিলেনিয়ালস! খুব স্বাভাবিক কারণেই আমাদেরকে
একবিংশ শতাব্দীতে যখন ভারতের মতো দেশ বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন ও ডিজিটাল অবকাঠামোয় বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার স্বপ্ন দেখছে, তখন অযোধ্যার সরযূ নদীতে “জল সমাধি” প্রশ্ন তুলেছে রাষ্ট্রের অগ্রগতি ও নীতির স্ববিরোধিতা নিয়ে। রাম মন্দিরের প্রধান
সিবিআই পারল না। আসল দোষীদের আড়াল করবার উদ্দেশ্য নিয়ে আর.জি. কর কান্ডের কেসটা ঢেলে সাজাতে গিয়ে কলকাতা পুলিশ যেমন সেমিনার রুমে ‘লালাজামা’ পরা তৃণমূলপন্থী চিকিৎসক অভীক দে’র মধ্যে এক ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞকে আবিষ্কার করে
আদালতে তিলোত্তমা ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে সিবিআই-এর বক্তব্য ছিল এটি একটি “বৃহত্তর ষড়যন্ত্র”। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই ষড়যন্ত্রের শরিক কারা? এক সামান্য সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় কি সত্যিই একা এমন একটি পৈশাচিক কাজ করতে
একসময় আমাদের রাজ্যে বনধ-ধর্মঘট ছিল রুটিন ঘটনা। ট্রেড ইউনিয়নের “দাদাগিরি” নিয়ে কাটা-ছেঁড়া চলত সর্বত্র। অথচ সেই সময়েই সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ, রাজারহাটের নিউটাউন তৈরি হয়েছিল। তৈরি হয়েছিল চাকরির সম্ভার। টাটা-জিন্দালের মত কোম্পানি এসে দাঁড়িয়েছিল