ঈশ্বর পাটনীর “দুধে ভাতে” থাকা বাঙালী নাকি এখন “মাছে-ভাতে” হয়েছে। এমনই একটা ধারণা প্রচলিত আছে। সারা দেশজুড়ে সব্বাই জানে এবং মানে, যে মাছ থেকে বাঙালীকে আলাদা করা মুশকিল। কিন্তু আজকের দিনে দাঁড়িয়ে, কজন
আত্মানুসন্ধান বা আত্মসমালোচনা যখন খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে বারবার করতে হয়, তখন বুঝে নিতে হবে সেই আত্মানুসন্ধান বা আত্মসমালোচনাতে কিছু পদ্ধতিগত ত্রুটি রয়ে গেছে। মানে ‘গলদ’টা গোড়ায়। যদি এই মন্থন প্রক্রিয়াটি শুরুর আগেই
অনেক প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম, যারা বিনা অনুমতিতে দিনের পর দিন আনিসের বাড়িতে ঢুকে পড়েছে, ক্যামেরার আলোয়, মশলা খোঁজার “আনন্দে” বাড়ির ইটের দেওয়ালে ইট গুনতে বসেছে তারা কি গতকাল আনিসের বাড়িতে গেছিলেন? না যাননি।
মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া পনেরো দিন সময়সীমা অতিক্রান্ত। এখনও আনিস খানের খুনীদের “গরু খোঁজা” খুঁজছে পুলিশ। আর মজার ব্যাপার হল পুলিশ এই মুহুর্তে যাদের খুঁজছে তারাও পুলিশ। তাও সেই খুনী পুলিশের দলটাকে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে গড়া
সাইকেল আর গনতন্ত্র প্রায় একই রকমের। এর দুটো চাকা। সামনের চাকা শাসকের আর পিছনেরটা বিরোধীর। আমরা জনগণ সেই সাইকেল চেপে দিব্যি গণতন্ত্রের হাওয়া খেয়ে ঘুরে বেড়াই। আর হ্যান্ডেলটা যেহেতু আমাদেরই হাতে থাকে, তাই
চলছে কলকাতা বইমেলা। চারদিকে দেশ বিদেশের হরেক রকম বই নিয়ে হরেক রকম স্টল। তেমনই একটা স্টল ১৭৫। নাম গাংচিল। প্রতিবারের মত এবারেও অনেকে এসেছেন, আসছেন এবং আসবেন এখানে। এঁদের প্রকাশ করা নানান বই