লুঠ চলছে, লুঠ! গত ২৫ মার্চ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ২০২০-২১ অর্থবর্ষের যে অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করেছে কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল বা CAG, তা দেখলে প্রথম এটাই মনে হয়েছে আমাদের। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী গত বিধানসভা
পরিবর্তনের বাংলায় “জঙ্গলমহল হাসছে” এমন দাবীর কথা এখনও শোনা যায় সরকারের সর্বোচ্চ মহল থেকে। প্রশাসনিক কর্তারাও তাতে সাধ্যমত তাল দেন, গলা মেলান। একদা পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার মাননীয়াকে “জঙ্গলমহলের মা” পর্যন্ত বলে দিয়েছিলেন।
আমরা রাইজ অফ ভয়েসেস এর আগে পাড়ায় পাড়ায় পুকুর চুরি, গাছ চুরি বা খেলার মাঠ চুরি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলাম। অবশ্য মাঠের ক্ষেত্রে “চুরি” শব্দটা ব্যবহার করিনি আমরা সচেতন ভাবেই। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই
সম্প্রতি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, সমস্ত সরকারি স্কুলের ইউনিফর্মের রং হবে নীল-সাদা এবং ছাত্রছাত্রীদের ইউনিফর্মে জ্বলজ্বল করবে মুখ্যমন্ত্রীর নিজের হাতে আঁকা “বিশ্ববাংলা”র ব্যাজ। এই রকম ব্যাজ ছাত্রছাত্রীদের পোশাকে ব্যবহার হওয়া উচিৎ কি উচিৎ
দাগ নেবো না বললেই চলে নাকি? দাগ আচ্ছে হ্যায়। যদি শাসক চায়, তবে দাগ আচ্ছে হ্যায়। আর আপনি সেই দাগ নিতে বাধ্য। নির্দেশ আপনাকে মানতেই হবে, কারণ আপনি নিষ্ঠাভরে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯১৯
বিজেপি নেতা ও তাঁদের ভক্তকূল ভুলভাল বকেন, গুল মারেন এটা আমরা এখন সবাই কমবেশি জানি। কেউ মহাভারতের যুগে ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট ব্যবস্থার অস্তিত্ত্ব খুঁজে পান। কেউ কেউ আবার দুরারোগ্য ক্যান্সার বা করোনা সারিয়ে