আমরা রাইজ অফ ভয়েসেস এর আগে পাড়ায় পাড়ায় পুকুর চুরি, গাছ চুরি বা খেলার মাঠ চুরি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলাম। অবশ্য মাঠের ক্ষেত্রে “চুরি” শব্দটা ব্যবহার করিনি আমরা সচেতন ভাবেই। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই
সম্প্রতি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, সমস্ত সরকারি স্কুলের ইউনিফর্মের রং হবে নীল-সাদা এবং ছাত্রছাত্রীদের ইউনিফর্মে জ্বলজ্বল করবে মুখ্যমন্ত্রীর নিজের হাতে আঁকা “বিশ্ববাংলা”র ব্যাজ। এই রকম ব্যাজ ছাত্রছাত্রীদের পোশাকে ব্যবহার হওয়া উচিৎ কি উচিৎ
দাগ নেবো না বললেই চলে নাকি? দাগ আচ্ছে হ্যায়। যদি শাসক চায়, তবে দাগ আচ্ছে হ্যায়। আর আপনি সেই দাগ নিতে বাধ্য। নির্দেশ আপনাকে মানতেই হবে, কারণ আপনি নিষ্ঠাভরে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯১৯
বিজেপি নেতা ও তাঁদের ভক্তকূল ভুলভাল বকেন, গুল মারেন এটা আমরা এখন সবাই কমবেশি জানি। কেউ মহাভারতের যুগে ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট ব্যবস্থার অস্তিত্ত্ব খুঁজে পান। কেউ কেউ আবার দুরারোগ্য ক্যান্সার বা করোনা সারিয়ে
ঈশ্বর পাটনীর “দুধে ভাতে” থাকা বাঙালী নাকি এখন “মাছে-ভাতে” হয়েছে। এমনই একটা ধারণা প্রচলিত আছে। সারা দেশজুড়ে সব্বাই জানে এবং মানে, যে মাছ থেকে বাঙালীকে আলাদা করা মুশকিল। কিন্তু আজকের দিনে দাঁড়িয়ে, কজন
আত্মানুসন্ধান বা আত্মসমালোচনা যখন খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে বারবার করতে হয়, তখন বুঝে নিতে হবে সেই আত্মানুসন্ধান বা আত্মসমালোচনাতে কিছু পদ্ধতিগত ত্রুটি রয়ে গেছে। মানে ‘গলদ’টা গোড়ায়। যদি এই মন্থন প্রক্রিয়াটি শুরুর আগেই