একদা বাংলায় সিপিআই(এম) বলে একটা দল ছিল। আলিমুদ্দিন স্ট্রীট ছিল সেই দলের সদর দপ্তর। সেই সদর দপ্তরে দলীয় কাজকর্ম পরিচালনার জন্য কিছু দূরদর্শী নেতাও ছিলেন। তাঁরা জানতেন এবং বুঝতেন বাংলার মানুষের ভাবাবেগ কিভাবে
আগামী ১৯শে জুন, দেশের অন্যান্য ৪টি বিধানসভা উপনির্বাচনের সাথে এই বাংলাতেও আছে উপনির্বাচন। তা নদিয়ার কালীগঞ্জে। গত ২রা ফেব্রুয়ারী তৃণমূল বিধায়ক নাসিরুদ্দিন আহমেদের হৃদরোগে প্রয়ানের পর বিধায়ক পদটি শুন্য হয়েছে। তাই এই অকাল
গতকাল, মানে রবিবার, ২০ শে এপ্রিল ২০২৫, বামেদের ব্রিগেড ছিল। আরও গোদা বাংলায় বললে বলতে হয় ‘সিপিএম’এর ব্রিগেড ছিল। আজকের সংসদীয় রাজনীতিতে যদিও বঙ্গ সিপিআই(এম) হলো ‘হেরো’ পার্টি। ‘শূন্য’ বা ৫% ভোটারের পার্টি
আজকে রাইজ অফ ভয়েসেস নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে যে লেখাটা লিখছে সেটা পড়ে কেউই বা বলা ভালো কোন পক্ষই সন্তুষ্ট হবেন না। উপরন্তু আমাদের কপালে গালিগালাজ জোটবার সম্ভাবনাই বেশি। তবুও শুধুমাত্র আমাদের ভাবনাটা বা
আমাদের ভোট দিন, ‘ডবল-ডবল’ চাকরি হবে। ভোট চাইতে গিয়ে বলেছিলেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী। সালটা ২০২১। ভোট হয়ে গেছে। ভোট পাওয়াও হয়ে গেছে। শুধু চাকরির দেখা নেই। ‘ডবল-ডবল’ তো কোন ছাড়, একটা ‘সিঙ্গল’ চাকরির জন্য
গতকাল শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ি শিক্ষার্থীকে পিষে দিল। শাসক দলের নেতা মাইক হাতে দাঁড়িয়ে বললেন, “আমরা চাইলে এক মিনিটে যাদবপুর দখল করতে পারি।” আর তারপর সাংসদ ঘোষণা করলেন, “২০২৬-এ আবার খেলা হবে।” ব্যস, এটুকুই যথেষ্ট