বদ্দা যখন পঞ্জি স্কিমে কোটি কোটি টাকার দুনম্বরী করবার করতেন, তখন কিনতেন ছবি। তারপর কি যে হল, “উত্তর” থেকে ধরা পড়ে গারদে পাচার হতেই, লিখতে লাগলেন চিঠি। ছবি কেনার মতনই, বদ্দা চিঠি লিখতে
এ হল সেই অগ্নিপথ যাতে অমিতাভ বচ্চন নেই। কিন্তু তাতে কি! সিনেমাতে বচ্চনরা যে ধরণের স্টান্ট-ডায়লগবাজি করে সিটি-হাততালি কুড়োতেন, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রস্তাবিত অগ্নিপথে তার থেকেও বড় স্টান্ট রয়েছে। যাকে লোকে বলে খেয়ালি পোলাও!
মাননীয় বিশ্বগুরু, আমাদের প্রতি এ আপনার ভারি অন্যায়! মাঝেমধ্যেই আপনার জন্য যেভাবে আমরা ল্যাজে গোবরে হচ্ছি, তাতে আমরা যারপরনাই ক্ষুব্ধ! বছরের পর বছর বড় বড় মিডিয়া হাউস, টিভির পর্দা থেকে সোশাল মিডিয়া, সর্বত্র
বঙ্গের খাতায় কলমে বিরোধী দলের “ল্যাংচা বিলাস” আপাতত সঙ্কটে। সুদূর দিল্লিতে শাসক মুখপাত্রের উস্কানিমূলক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে, রাজ্যের বিভিন্ন অরাজকতাকে পুঁজি করে, আবারো বাইনারি তৈরির আশায় যাদের বুকে খানিকটা বল এসেছিল, তারাই এক্কেবারে ধারাম
“দুঃখ সুখ দিবসরজনীমন্দ্রিত করিয়া তোলে জীবনের মহামন্ত্রধ্বনি,শত শত সাম্রাজ্যের ভগ্নশেষ-‘পরেওরা কাজ করে।” বাঙালীর “রবিরোগ” আজকের নতুন নয়। গত বছর বিধানসভা ভোটের সময় বাংলায় ভোট প্রচারে এসে, দেশের অবাঙ্গালী, বাংলাভাষী নন, এমন রাজনৈতিক নেতারাও