মাননীয় বিশ্বগুরু, আমাদের প্রতি এ আপনার ভারি অন্যায়! মাঝেমধ্যেই আপনার জন্য যেভাবে আমরা ল্যাজে গোবরে হচ্ছি, তাতে আমরা যারপরনাই ক্ষুব্ধ! বছরের পর বছর বড় বড় মিডিয়া হাউস, টিভির পর্দা থেকে সোশাল মিডিয়া, সর্বত্র
বঙ্গের খাতায় কলমে বিরোধী দলের “ল্যাংচা বিলাস” আপাতত সঙ্কটে। সুদূর দিল্লিতে শাসক মুখপাত্রের উস্কানিমূলক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে, রাজ্যের বিভিন্ন অরাজকতাকে পুঁজি করে, আবারো বাইনারি তৈরির আশায় যাদের বুকে খানিকটা বল এসেছিল, তারাই এক্কেবারে ধারাম
“দুঃখ সুখ দিবসরজনীমন্দ্রিত করিয়া তোলে জীবনের মহামন্ত্রধ্বনি,শত শত সাম্রাজ্যের ভগ্নশেষ-‘পরেওরা কাজ করে।” বাঙালীর “রবিরোগ” আজকের নতুন নয়। গত বছর বিধানসভা ভোটের সময় বাংলায় ভোট প্রচারে এসে, দেশের অবাঙ্গালী, বাংলাভাষী নন, এমন রাজনৈতিক নেতারাও
খেলাটা পুরানো,কিছুটা ছোঁয়াছুঁয়ি,ছুটে যেতে যেতে যেতে যেতে পড়ে যাবে ধরা… হ্যাঁ। এটাই হওয়ার ছিল। ভবিতব্যকে এড়ানো যায় না। বাম আমলে রাজ্যব্যাপী যে ক্লাস ১ থেকে ক্লাস ১২ পর্যন্ত অবৈতনিক সরকারী শিক্ষা ব্যবস্থার প্রচলন
রাখীবন্ধনের দিন যখন রাজ্য বিজেপির মহিলা নেতৃত্বরা পুলিশদেরকে রাখী পরাতে পথে নামেন, তখন সারাদিন ধরে পুলিশকর্মীদের সাথে তাঁদের একটা অদ্ভুত লুকোচুরি খেলা চলে। পুলিশকর্মীরা কিছুতেই বিজেপির মহিলা নেতৃত্বের হাতে রাখী পরবেন না, যাতে