“কাটাপ্পা নে বাহুবলী কো কিউ মারা?” গোছের একটা হুইসপারিং ক্যাম্পেইন বেশ কিছুদিন ধরে চলছিল এই বাংলায়। সৌজন্যে তৃণমূল ত্যাগী বিজেপি নেতা এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি মোটামুটি একটা ডেডলাইনও দিয়েছিলেন, সেটা
সম্প্রতি বীরসা মুণ্ডার জন্মদিন উপলক্ষে সংবাদমাধ্যমে সব থেকে বেশি ফুটেজ খেলেন রাজ্যের শাসক ও বিরোধীদলের নেতা-নেত্রীরা! অবস্থা এমনই যে আপামর বঙ্গবাসীকে বীরসা মুণ্ডার কোন ছবি দেখালে হয়তো তাঁকে চিনতে পারবে না, কিন্তু তার
আমাদের কাছে হঠাৎ একদিন খবর এলো উত্তরপাড়ার বিখ্যাত জয়কৃষ্ণ পাবলিক লাইব্রেরি বন্ধ হতে বসেছে! তারপর গত সপ্তাহে একজন জানালো আর হতে বসেছে নয়, বন্ধ হয়ে গেছে। সেখানে এখন রাজ্য সরকারের নানা রকম সামাজিক
গতকাল সারাদিন ধরে টিভি-ক্যামেরা বুম নিয়ে যেভাবে চপ ভাজা হল, মাটির বাড়ির উঠোনে পাত পেড়ে খাওয়া হল অথবা গাঁয়ের সদ্যজাতকে কোলে তুলে দোল খাওয়ানো হল এবং দিনের শেষে সেটাকে আমাদের সংবাদমাধ্যমের বন্ধুরা জনসংযোগ
চারিদিকে আবার সেই মাস্টারস্ট্রোকের হইচই! এবার নাকি সংরক্ষণ পাবেন দরিদ্র উচ্চবর্ণের মানুষও। গত লোকসভা নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদী সরকার উচ্চবর্ণের মধ্যে আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণীর জন্য সরকারি চাকরি ও শিক্ষাক্ষেত্রে ১০% আসন সংরক্ষণ করবার
জোয়ার এসেছে, জোয়ার। এই মুহুর্তে দেশের আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে এক অভূতপূর্ব জোয়ার এসেছে। সামনেই অ্যাপরাইজাল অনেকের, হবে স্যালারি হাইক। অনেকেই আশায় বুক বেঁধে আছেন, এবার সারা বছরের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে তারা পাবেন সন্মানজনক হাইক। সম্প্রতি