খবর জিনিষটা ভালো। কিন্তু ‘হাফ খবর’…. মানে আপনাকে একটা খবর দেওয়া হলো অথচ এই খবর সংক্রান্ত সবপক্ষের বক্তব্য যাথাযথভাবে তুলে ধরা হল না, বা খবরের ‘সত্য-মিথ্যা’ সেভাবে যাচাই করা হলো না। তাহলে সেটাকে
সে আসছে, আবার আসছে। সত্যিই কি আসছে? মাস কয়েক আগের কথা, কলকাতা পুরসভার মাসিক অধিবেশনে ডেপুটি মেয়র ও স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র পরিষদ অতীন ঘোষ জানান, বুস্টার ডোজ নিতে শহরবাসীদের অনেকেই অনীহা প্রকাশ
পরিবর্তনের বাংলায় ইদানীং একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করছি আমরা। আগে ঘরে চুরি হতো। এখন আস্ত ‘ঘরচুরি’ হচ্ছে। আর এসবই হচ্ছে সরকারের আবাস যোজনাকে কেন্দ্র করে। যাদের নাম আবাস যোজনার তালিকায় থাকবার কথা তাদের নাম
ডিসেম্বর মানেই ধামাকা! বাংলার সংবাদমাধ্যম বিগত এক পক্ষ কাল ধরে সরগরম। কিন্তু দিনটা কবে? পাওয়া গেল তিনটে তারিখ। ডিসেম্বরের ১২, ১৪ ও ২১। দিলেন স্বয়ং সনাতনী নেতা নিজে! স্বভাবতই বিজেপি কর্মী সমর্থকরা উৎফুল্ল।
বছর দশেক আগে বেড়াতে গিয়েছিলাম কাশ্মীর। সেপ্টেম্বর মাস, পেহেলগাওতে তখন হাতে গোনা টুরিস্ট, ঠিক করলাম চন্দনবাড়ি যাব। আঁকাবাকা পথ পেরিয়ে চন্দনবাড়ি পৌঁছাতেই আমাদের গাড়ির সামনে ছুটে এলেন এক মাঝ বয়সী ভদ্রলোক, নাম সম্ভবত
‘খেলা হবে’ স্লোগানটাই গত বিধানসভা টুর্নামেন্টের থুড়ি নির্বাচনের মূল এজেন্ডা ছিলো বলাটা অত্যুক্তি হবেনা। প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে ভোট দেওয়া ছাড়া দেশ পরিচালনায় (বা রাজ্য) বিশেষ কোনো ভূমিকা থাকে না জনসাধারণের। ওয়েল ইনফর্মড ভোটার গণতন্ত্রের