পরিবর্তনের বাংলায় ইদানীং একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করছি আমরা। আগে ঘরে চুরি হতো। এখন আস্ত ‘ঘরচুরি’ হচ্ছে। আর এসবই হচ্ছে সরকারের আবাস যোজনাকে কেন্দ্র করে। যাদের নাম আবাস যোজনার তালিকায় থাকবার কথা তাদের নাম
ডিসেম্বর মানেই ধামাকা! বাংলার সংবাদমাধ্যম বিগত এক পক্ষ কাল ধরে সরগরম। কিন্তু দিনটা কবে? পাওয়া গেল তিনটে তারিখ। ডিসেম্বরের ১২, ১৪ ও ২১। দিলেন স্বয়ং সনাতনী নেতা নিজে! স্বভাবতই বিজেপি কর্মী সমর্থকরা উৎফুল্ল।
বছর দশেক আগে বেড়াতে গিয়েছিলাম কাশ্মীর। সেপ্টেম্বর মাস, পেহেলগাওতে তখন হাতে গোনা টুরিস্ট, ঠিক করলাম চন্দনবাড়ি যাব। আঁকাবাকা পথ পেরিয়ে চন্দনবাড়ি পৌঁছাতেই আমাদের গাড়ির সামনে ছুটে এলেন এক মাঝ বয়সী ভদ্রলোক, নাম সম্ভবত
‘খেলা হবে’ স্লোগানটাই গত বিধানসভা টুর্নামেন্টের থুড়ি নির্বাচনের মূল এজেন্ডা ছিলো বলাটা অত্যুক্তি হবেনা। প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে ভোট দেওয়া ছাড়া দেশ পরিচালনায় (বা রাজ্য) বিশেষ কোনো ভূমিকা থাকে না জনসাধারণের। ওয়েল ইনফর্মড ভোটার গণতন্ত্রের
“একূল ভেঙে ওকূল তুমি গড়ো,যার একূল ওকূল দুকূল গেল,তার লাগি কি করো?” পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খন্ড এবং পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের এই একই প্রশ্ন। ইস্যু আসে, ইস্যু যায় আর কিছু ইস্যু বছর বছর
“কাটাপ্পা নে বাহুবলী কো কিউ মারা?” গোছের একটা হুইসপারিং ক্যাম্পেইন বেশ কিছুদিন ধরে চলছিল এই বাংলায়। সৌজন্যে তৃণমূল ত্যাগী বিজেপি নেতা এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি মোটামুটি একটা ডেডলাইনও দিয়েছিলেন, সেটা