প্রথমেই বলে রাখি “দামোদর শেঠের গপ্পো”র সব চরিত্রই কাল্পনিক। জীবিত বা মৃত কোনো ব্যক্তি বা ঘটনার সাথে মিল পাওয়া গেলে তা নিতান্তই কাকতালীয়। শুরু করা যাক গপ্পো। আজ থেকে ৮৩ বছর আগে কবিগুরু
হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট নিয়ে আমাদের প্রতিবেদন “হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট ও কিছু জরুরী প্রশ্ন” পড়ে আমাদের অনেক পাঠক ও শুভাকাঙ্খীর ভুরু কুঁচকে গিয়েছিল। আদানি গ্রুপ অফ কোম্পানিজের শেয়ারগুলি যখন বাজারে তাসের ঘরের মত ভেঙ্গে পড়ছে, তখন
হঠাৎই ছোটবেলার দু’কলি কবিতা মনে পড়ে গেলো! “হাট বসেছে শুক্রবারে,বকশিগঞ্জে পদ্মাপারে।জিনিষপত্র গুছিয়ে এনে,গ্রামের মানুষ বেচে কেনে।” ঐ যাকে বলে ছোটবেলার নস্টালজিয়া…. সেটা’ই আর কি! বাঙালীর শৈশবের সাথে রবি ঠাকুরের ‘সহজপাঠ’ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বছর
বাজার মাল কেনা-বেচার জায়গা। সেখানে সততা-শঠতা হাত ধরাধরি করে চলে। পাঁচমেশালি লোকের ভিড়ে কে সৎ, আর কে অসৎ তা আলাদা করে চেনা বা জানা, সাধারণ মানুষের কম্ম নয়। তারজন্যই দেশে সরকার ও তার
সোনম ওয়াংচুক নাকি থ্রি ইডিয়েটসের ফুংসুক ওয়াংড়ু, কোন নামে আপনি তাকে চিনবেন, তা জানি না আমরা। এই মুহূর্তে ভদ্রলোক রাজরোষে পড়ে গৃহবন্দী। দেশের প্রধানমন্ত্রীর “মন কি বাত” সম্বন্ধে আপনারা সবাই জানেন। সেই অনুষ্ঠানে