ইনসাফ বা ন্যয়বিচার! কিন্তু কিসের ইনসাফ! চাকরি না পাওয়ার। পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে পরিবার-পরিজন ফেলে পেটের দায়ে দেশ-বিদেশ পাড়ি দেওয়ার। ১০০ দিনের প্রকল্পে কাজ বা আবাস যোজনার ঘর না পাওয়ার। ফসলের ন্যায্য মূল্য না
প্রিয় হীরকবাসী, মস্তিষ্ক প্রক্ষালন যন্ত্র। হীরক রাজার সেই যুগান্তকারী যন্ত্র, যার মাধ্যমে শত্রুদের নিজের নিয়ন্ত্রণে আনত হীরক রাজ। আজ থেকে ৪৩ বছর আগে যখন সত্যজিৎ রায়, হীরক রাজার গল্প লিখেছিলেন, তখন দেশে মস্তিষ্ক
তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে নদীয়ার কৃষ্ণনগর লোকসভা থেকে নির্বাচিত মহুয়া মৈত্রকে নিয়ে হৈ চৈ নতুন কিছু না। বিগত লোকসভা নির্বাচনে বামেরা ‘শূন্য’ হাতে ফেরার পর বাংলা থেকে যে ক’জন হাতেগোনা বাগ্মী সাংসদ সংসদে আছেন,
১০০ দিনের কাজ করেও, যারা তাদের হকের টাকা এখনও পর্যন্ত পাননি, সেটা কি গুরুত্বপূর্ণ? নাকি পশ্চিমবঙ্গের দমকল মন্ত্রীর জুতো চুরি কিম্বা সাংসদের মোবাইল চুরি বেশী গুরুত্বপূর্ণ? তৃণমুলের দিল্লির বিক্ষোভে চার বঙ্গ বিজেপি বিধায়কের
আমাদের হাজার হাজার দৈনন্দিন ইস্যুর মাঝে বাজারী মিডিয়ার দ্বারা এক এবং অদ্বিতীয় ইস্যু হল আসন্ন লোকসভা নির্বাচন। আর এই নির্বাচনের দুই পক্ষকে নিয়েই বর্তমানে আমাদের মিডিয়া মহল ঘুরপাক খাচ্ছেন। বাস, ঘাট, চায়ের দোকান
হরিশ সালভে। দেশের প্রোথিতযশা আইনজীবীদের মধ্যে একজন। তিনি জন্মসূত্রে মারাঠি। তাঁর পিতা এন কে পি সালভে ছিলেন একজন চার্টাড অ্যাকাউন্টেন্ট এবং বিশিষ্ট কংগ্রেসী নেতা। যদিও হরিশ সালভের বিজেপি ঘনিষ্ঠতা সর্বজনবিদিত। তিনি বাজপেয়ী সরকারের