এই রাজ্যে যখন একজন সাধারণ মানুষ প্রাক্তন মন্ত্রীর দিকে তাক করে জুতো ছোড়েন, তখন সংবাদমাধ্যম প্রশ্ন করে, “আপনি কি খালি পায়ে বাড়ি যাবেন?” আসানসোল আদালত চত্বরে “গরুচোর” বলে কেউ চিৎকার করলে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্ন,
১৯ জন নেতার সম্পত্তি বৃদ্ধি সংক্রান্ত মামলায় ইডিকে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এবার সেই নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী, সমবায় মন্ত্রী এবং পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী। এর পরে সিপিআইএম নেতা
মিডিয়াতে আজ হঠাৎই কয়েকটি চ্যানেল প্রশ্ন তুলেছে, বাম-কংগ্রেসের সেটিং তত্ত্বের বা বিজেমূল তত্ত্বের কোন গ্রহণযোগ্যতা আর রইল কি? যেখানে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় হাজতে গেলেন, তারপরে মুখ্যমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী তিন-তিনবার দিল্লিতে সাক্ষাত করার পরেও গ্রেফতার
আমাদের দেশের মিডিয়ার বেহাল বিক্রি হয়ে যাওয়া দশাটা আর চোখে দেখা যাচ্ছে না। ভোটটা ত্রিপুরার মত উত্তর-পূর্বের ছোট অঙ্গরাজ্যের, তাই সেভাবে সামনে এল না। কিন্তু সত্যিটা হল এই যে, বঙ্গ মিডিয়ায় ত্রিপুরার উপনির্বাচন