“এসব চিপ কথা এখানে বলবেন না! কোথায় কি বলতে হয় জানুন! এরপর তো বলবেন ঘরের মধ্যে জেলা চাই, এত অফিসার কই? আপনাদের তো পুলিশ জেলা করে দেওয়া হয়েছে। ওইটুকু জায়গা, তার আবার জেলা”
রাজ্যের শাসক দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের হঠাৎ দেখা। কলকাতার সুকিয়া ষ্ট্রীটের একটি ফ্ল্যাটে। ডিনার টেবিলে। লুচি-ছোলার ডাল -পনির-ধোঁকার ডালনা প্রভৃতি রকমারি পদ ছিল বলে খবর পাওয়া গেছে। বিতর্ক
তাঁকে আমরা মা-সারদা না ভাবলেও যথেষ্ট গুরুত্ব দিই। বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের সবথেকে সফল বিরোধী দলনেতা-নেত্রীদের কথা বলতে গেলে, জ্যোতিবাবুর পরেই যাঁর নাম আসবে সেটা অবশ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেভাবে দেখতে গেলে আগের বাক্যে “নেত্রী”
বঙ্গমিডিয়া এই মুহূর্তে মোনালিসা-অর্পিতার রসালো খবরে জনগণকে ডুবিয়ে রাখতে চাইছে। অর্পিতা-মোনালিসারা হয়তো বলির পাঠা হবেন। কারণ জনমত তৈরী হবে না এই রসালো খবরে। সূত্রের খবরের নামে বেশ কিছু সরকার ঘনিষ্ঠ পেটোয়া সংবাদমাধ্যম এই
চা-বিস্কুট আমরা প্রায় প্রত্যেক বাঙালীই খেয়ে থাকি। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক কাপ চা আর খবরের কাগজ ছাড়া আমার মত অনেকের তো দিনই শুরু হয় না। কিন্তু চায়ে চুমুক দেওয়ার মুহুর্তে, যেমন কাপ
আমরা হলাম গিয়ে সকালবেলা চা-বিস্কুট দিয়ে খবরের কাগজ পড়ে সবজান্তা বনে যাওয়া বাঙালী। সন্ধ্যেবেলা কাজের জায়গা থেকে ফিরে মুড়ি-চানাচুর-চা সহযোগে প্রাইম টাইমে চ্যানেল ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে খবরের নামে কলতলার ঝগড়া দেখা বাঙালী। আর তারপর