তিনি এলেন। বললেন। কিন্তু জমলো না। ভাইপোকে ডেয়ারডেভিল তকমা দিয়ে শুরুটা স্টাইলে করলেও, ব্যাপারটা যে জমছে না, কোথাও যে একটা ছানা কেটে যাচ্ছে নিজেই বুঝতে পারলেন। আর তারপরই যা তিনি আজ পর্যন্ত কোনদিন
“একধরণের ব্ল্যাকমেলিং পলিটিক্স শুরু হয়েছে।” তারিখ ৩১ শে আগস্ট। স্থান নবান্ন। কে বলেছেন নিশ্চইয়ই নামটা আবার বলে দিতে হবে না। কিন্তু সেই তিনিই শেষবেলায় জনসমক্ষে সংবাদমাধ্যমেকেই ইদানীং ‘পজিটিভ খবর’ কম করায় ব্ল্যাকমেল করে
‘‘এই যে আজকে এত বড় সমাবেশ, আপনারা আমার কথা লিখে রাখুন, চার-পাঁচ দিনের মধ্যে আবার কিছু একটা করবে। ২১ জুলাই আমাদের সমাবেশ হল। ২২ জুলাই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ইডি পাঠিয়ে দেওয়া হল। ২২
পার্থ-অর্পিতাকান্ড নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এর আগেও শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অনেক নেতা-মন্ত্রী সিবিআই-ইডি’র জেরার মুখে পড়লে বা গ্রেফতার হলেও, এখনকার মত এতটা উত্তাল পরিস্থিতি কখনো হয়নি। শুধু বিরোধীরা নয়, এবার সাধারণ মানুষও
তাঁকে আমরা মা-সারদা না ভাবলেও যথেষ্ট গুরুত্ব দিই। বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের সবথেকে সফল বিরোধী দলনেতা-নেত্রীদের কথা বলতে গেলে, জ্যোতিবাবুর পরেই যাঁর নাম আসবে সেটা অবশ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেভাবে দেখতে গেলে আগের বাক্যে “নেত্রী”