‘‘এই যে আজকে এত বড় সমাবেশ, আপনারা আমার কথা লিখে রাখুন, চার-পাঁচ দিনের মধ্যে আবার কিছু একটা করবে। ২১ জুলাই আমাদের সমাবেশ হল। ২২ জুলাই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ইডি পাঠিয়ে দেওয়া হল। ২২
এই রাজ্যে যখন একজন সাধারণ মানুষ প্রাক্তন মন্ত্রীর দিকে তাক করে জুতো ছোড়েন, তখন সংবাদমাধ্যম প্রশ্ন করে, “আপনি কি খালি পায়ে বাড়ি যাবেন?” আসানসোল আদালত চত্বরে “গরুচোর” বলে কেউ চিৎকার করলে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্ন,
গোধরায় সবরমতী এক্সপ্রেসে ৫৯ জন করসেবকের জ্যান্ত পুড়ে মারা যাওয়ার পর, গুজরাটে তখন চলছে রায়ট। দিনটা ৩ মার্চ, ২০০২। বিলকিস সেদিন পালাচ্ছিল পরিবারের সাথে, নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। আশ্রয় বলতে মাঠের পাশের একটা ঝোপ,
বড়লোকের মেয়ে! কেন বলছি তা পারিবারিক টাকা-পয়সা, বিষয়-সম্পত্তির বহর দেখলেই বুঝতে পারবেন। শুধু ব্যাঙ্কের স্থায়ী আমানতেই বাবা-মেয়ের রয়েছে প্রায় ১৭ কোটি টাকা। এছাড়া বাপ-মেয়ের নামে ঠিক কতগুলো জমি-জমা, বাড়ি-ফ্ল্যাট আছে তার হিসেব কষা
ছেলেমেয়েগুলো আজও রাস্তায় বসে, প্যানেলে নাম থাকতেও তাদের একজনেরও চাকরি হয়নি। বিচারপতির কলমের গুতোয় পরেশ অধিকারীর মেয়ের চাকরি গেলেও, তার কোনো শাস্তি এখনো হয়নি, কারণ বেআইনি ভাবে উপার্জন করে টাকা ফেরানোকে শাস্তি বলা
১৯ জন নেতার সম্পত্তি বৃদ্ধি সংক্রান্ত মামলায় ইডিকে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এবার সেই নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী, সমবায় মন্ত্রী এবং পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী। এর পরে সিপিআইএম নেতা