কয়লা পাচার কান্ডে ভোট কুশলী সংস্থা ‘I-PAC’ এর কর্ণধারের বাড়িতে ও অফিসে ইডির তল্লাশি এবং সেই সময় মাননীয়ার সেখানে হানা দিয়ে ফাইল দস্তাবেজ বগলদাবা করে বেরিয়ে চলে যাওয়া…. কি থ্রিলিং ব্যাপার না! কিন্তু
মাসখানেক আগে অনির্বাণের হুলিগানইজমের গানের “সিপিএম কেন শুন্য?” লাইন নিয়ে সমাজমধ্যমে হৈ চৈ পড়ে গিয়েছিল। গান, পাল্টা গান, যুক্তি, অযুক্তি, বিশ্লেষণ, অতিবিশ্লেষণে রামরম করছিল নেটপাড়া। আর আজ, এই নিয়ে কনামাত্র আলোচনা নেই। কিন্তু
বাংলার রাজনীতি আজ এমন এক নাট্যমঞ্চে পৌঁছেছে, যেখানে প্রধান চরিত্ররা নিজেরাই ভুলে গেছেন, গল্পটা আসলে কোথা থেকে শুরু হয়েছিল। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছিলেন, “আমরা ২৯৪ আসনে লড়ব।” বক্তব্যটি যতটা
পশ্চিমবঙ্গের এখন গভীর অসুখ। অসুখের নামটা এখনও আমরা সেভাবে ঠিক দিয়ে উঠতে পারি নি। কিন্তু অসুখটা মনে হয় ধরতে পেরেছি। অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা অসুখটার কথা আমরা সবাই শুনেছি বা জানি। এটা কিভাবে সনাক্ত
তিনি বিরোধী নেত্রী। লোকে বলে ক্যাপ্টেন। কাজেই তিনি আসবেন…. মঞ্চে উঠবেন …. আগুনে ভাষণে শাসককে বিঁধবেন…. এসব তো স্বাভাবিক। এগুলো তো হওয়ারই ছিল। কিন্তু তারপর…. যে কু’কথা শুনলাম তাকে বঙ্গ রাজনীতির অবনমন বলবো
একবিংশ শতাব্দীতে যখন ভারতের মতো দেশ বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন ও ডিজিটাল অবকাঠামোয় বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার স্বপ্ন দেখছে, তখন অযোধ্যার সরযূ নদীতে “জল সমাধি” প্রশ্ন তুলেছে রাষ্ট্রের অগ্রগতি ও নীতির স্ববিরোধিতা নিয়ে। রাম মন্দিরের প্রধান