ঈদের দিন রেড রোড আটকে নমাজ পড়া উচিত না। কারণ লোকজনের যাতায়াতের অসুবিধা হয়। এটাই ছিল বিজেপির যুক্তি! যদিও সেদিন রাষ্ট্রীয় ছুটির দিন। স্কুল-কলেজ-অফিস সব বন্ধ থাকে। তর্কের খাতিরে না হয় মানা গেল…
ফলতার উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে প্রথম নজরে যে ছবিটা চোখে পড়ে, তা খুব স্পষ্ট। বিজেপির বিপুল জয়। এক লক্ষেরও বেশি ভোটের ব্যবধান। তৃণমূলের অস্বস্তিকর পতন। কিন্তু এই ছবির ঠিক নীচে আর একটি স্তর
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় সংকট কোনও একক দলের নয়, বরং বিরোধী রাজনীতির বিশ্বাসযোগ্যতার। কাগজে-কলমে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল এখনও ভারতীয় জনতা পার্টি। কিন্তু রাজনীতি শুধু বিধানসভায় আসনের হিসেব নয়। রাজনীতি হল
বহু ব্যবহৃত ‘সেটিং’ তত্ত্ব এখন আর গুজব নয়। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, এবার আর কানে কানে ফিসফাস নয়, চায়ের ঠেকে চোখ টিপে ইশারা নয়, তৃণমূল আর বিজেপির সেটিং এখন প্রকাশ্যে। জনমননে। সেটিং এমন পর্যায়ে
কয়লা পাচার কান্ডে ভোট কুশলী সংস্থা ‘I-PAC’ এর কর্ণধারের বাড়িতে ও অফিসে ইডির তল্লাশি এবং সেই সময় মাননীয়ার সেখানে হানা দিয়ে ফাইল দস্তাবেজ বগলদাবা করে বেরিয়ে চলে যাওয়া…. কি থ্রিলিং ব্যাপার না! কিন্তু
নির্বাচন কমিশন এই মুহুর্তে আমাদের রাজ্যে প্রকৃত ভোটার খুঁজছে। বাদ দিতে চাইছে জাল-ভুয়ো এবং মৃত ভোটারদের। মানে খাতায় কলমে ‘এসআইআর’ এর উদ্দেশ্য অন্তত সেটাই। এটা একটা স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং এটা হওয়াও উচিৎ।