বহু ব্যবহৃত ‘সেটিং’ তত্ত্ব এখন আর গুজব নয়। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, এবার আর কানে কানে ফিসফাস নয়, চায়ের ঠেকে চোখ টিপে ইশারা নয়, তৃণমূল আর বিজেপির সেটিং এখন প্রকাশ্যে। জনমননে। সেটিং এমন পর্যায়ে
কয়লা পাচার কান্ডে ভোট কুশলী সংস্থা ‘I-PAC’ এর কর্ণধারের বাড়িতে ও অফিসে ইডির তল্লাশি এবং সেই সময় মাননীয়ার সেখানে হানা দিয়ে ফাইল দস্তাবেজ বগলদাবা করে বেরিয়ে চলে যাওয়া…. কি থ্রিলিং ব্যাপার না! কিন্তু
মাসখানেক আগে অনির্বাণের হুলিগানইজমের গানের “সিপিএম কেন শুন্য?” লাইন নিয়ে সমাজমধ্যমে হৈ চৈ পড়ে গিয়েছিল। গান, পাল্টা গান, যুক্তি, অযুক্তি, বিশ্লেষণ, অতিবিশ্লেষণে রামরম করছিল নেটপাড়া। আর আজ, এই নিয়ে কনামাত্র আলোচনা নেই। কিন্তু
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রান্তিক অবস্থানে থাকার পর সিপিআইএম এবার এক অভূতপূর্ব কৌশল নিতে চলেছে। দলীয় শীর্ষ সূত্রে জানা
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে প্রতিদিন নতুন নাটক মঞ্চস্থ হচ্ছে। কাগজে-কলমে, টেলিভিশনের পর্দায় কিংবা রাজনৈতিক সভায়, বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসকে একে অপরের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই তুলে ধরা হয়। প্রচারে বারবার বলা হয়, এই লড়াই আসলে বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গের এখন গভীর অসুখ। অসুখের নামটা এখনও আমরা সেভাবে ঠিক দিয়ে উঠতে পারি নি। কিন্তু অসুখটা মনে হয় ধরতে পেরেছি। অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা অসুখটার কথা আমরা সবাই শুনেছি বা জানি। এটা কিভাবে সনাক্ত