বহু ব্যবহৃত ‘সেটিং’ তত্ত্ব এখন আর গুজব নয়। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, এবার আর কানে কানে ফিসফাস নয়, চায়ের ঠেকে চোখ টিপে ইশারা নয়, তৃণমূল আর বিজেপির সেটিং এখন প্রকাশ্যে। জনমননে। সেটিং এমন পর্যায়ে
কয়লা পাচার কান্ডে ভোট কুশলী সংস্থা ‘I-PAC’ এর কর্ণধারের বাড়িতে ও অফিসে ইডির তল্লাশি এবং সেই সময় মাননীয়ার সেখানে হানা দিয়ে ফাইল দস্তাবেজ বগলদাবা করে বেরিয়ে চলে যাওয়া…. কি থ্রিলিং ব্যাপার না! কিন্তু
নির্বাচন কমিশন এই মুহুর্তে আমাদের রাজ্যে প্রকৃত ভোটার খুঁজছে। বাদ দিতে চাইছে জাল-ভুয়ো এবং মৃত ভোটারদের। মানে খাতায় কলমে ‘এসআইআর’ এর উদ্দেশ্য অন্তত সেটাই। এটা একটা স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং এটা হওয়াও উচিৎ।
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে প্রতিদিন নতুন নাটক মঞ্চস্থ হচ্ছে। কাগজে-কলমে, টেলিভিশনের পর্দায় কিংবা রাজনৈতিক সভায়, বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসকে একে অপরের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই তুলে ধরা হয়। প্রচারে বারবার বলা হয়, এই লড়াই আসলে বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গের এখন গভীর অসুখ। অসুখের নামটা এখনও আমরা সেভাবে ঠিক দিয়ে উঠতে পারি নি। কিন্তু অসুখটা মনে হয় ধরতে পেরেছি। অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা অসুখটার কথা আমরা সবাই শুনেছি বা জানি। এটা কিভাবে সনাক্ত
আগামী ১৯শে জুন, দেশের অন্যান্য ৪টি বিধানসভা উপনির্বাচনের সাথে এই বাংলাতেও আছে উপনির্বাচন। তা নদিয়ার কালীগঞ্জে। গত ২রা ফেব্রুয়ারী তৃণমূল বিধায়ক নাসিরুদ্দিন আহমেদের হৃদরোগে প্রয়ানের পর বিধায়ক পদটি শুন্য হয়েছে। তাই এই অকাল