কয়লা পাচার কান্ডে ভোট কুশলী সংস্থা ‘I-PAC’ এর কর্ণধারের বাড়িতে ও অফিসে ইডির তল্লাশি এবং সেই সময় মাননীয়ার সেখানে হানা দিয়ে ফাইল দস্তাবেজ বগলদাবা করে বেরিয়ে চলে যাওয়া…. কি থ্রিলিং ব্যাপার না! কিন্তু
বঙ্গ সিপিআই(এম) আয়োজিত বাংলা বাঁচাও যাত্রা যেভাবে উত্তর থেকে দক্ষিণ বাংলার এক বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে বিগত বিশ দিন ধরে চষে ফেললো এবং তাতে সাধারণ মানুষের যে স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি নজরে পড়লো তা নিয়ে আজ সেই
ভারতের আর্থিক দুনিয়ায় চুপচাপ ঘটে গেছে এক বিপ্লব, যার নাম “হর ঘর ডলার, হর বার রিটার্ন”।শেয়ার মার্কেট, ব্যাংক ইন্টারেস্ট, সল্প সঞ্চয়, ফিক্সড ডিপোজিট সব বাদ দিন! এখন কেবল ডলার (অক্ষয় কুমারেরটা নয়, এটা
ভারতের টেলিকম দপ্তর সম্প্রতি এক নির্দেশ জারি করেছে, যাতে প্রত্যেক স্মার্টফোন প্রস্তুতকারককে “Sanchar Saathi” অ্যাপ প্রি-ইনস্টল করে দিতে হবে এবং এমনভাবে দিতে হবে যাতে ব্যবহারকারী সেটি ডিলিট বা নিষ্ক্রিয় করতে পারবেন না। এটা
নির্বাচন কমিশন এই মুহুর্তে আমাদের রাজ্যে প্রকৃত ভোটার খুঁজছে। বাদ দিতে চাইছে জাল-ভুয়ো এবং মৃত ভোটারদের। মানে খাতায় কলমে ‘এসআইআর’ এর উদ্দেশ্য অন্তত সেটাই। এটা একটা স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং এটা হওয়াও উচিৎ।
মাসখানেক আগে অনির্বাণের হুলিগানইজমের গানের “সিপিএম কেন শুন্য?” লাইন নিয়ে সমাজমধ্যমে হৈ চৈ পড়ে গিয়েছিল। গান, পাল্টা গান, যুক্তি, অযুক্তি, বিশ্লেষণ, অতিবিশ্লেষণে রামরম করছিল নেটপাড়া। আর আজ, এই নিয়ে কনামাত্র আলোচনা নেই। কিন্তু