নির্বাচন কমিশন এই মুহুর্তে আমাদের রাজ্যে প্রকৃত ভোটার খুঁজছে। বাদ দিতে চাইছে জাল-ভুয়ো এবং মৃত ভোটারদের। মানে খাতায় কলমে ‘এসআইআর’ এর উদ্দেশ্য অন্তত সেটাই। এটা একটা স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং এটা হওয়াও উচিৎ।
মাসখানেক আগে অনির্বাণের হুলিগানইজমের গানের “সিপিএম কেন শুন্য?” লাইন নিয়ে সমাজমধ্যমে হৈ চৈ পড়ে গিয়েছিল। গান, পাল্টা গান, যুক্তি, অযুক্তি, বিশ্লেষণ, অতিবিশ্লেষণে রামরম করছিল নেটপাড়া। আর আজ, এই নিয়ে কনামাত্র আলোচনা নেই। কিন্তু
বাংলার রাজনীতি আজ এমন এক নাট্যমঞ্চে পৌঁছেছে, যেখানে প্রধান চরিত্ররা নিজেরাই ভুলে গেছেন, গল্পটা আসলে কোথা থেকে শুরু হয়েছিল। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছিলেন, “আমরা ২৯৪ আসনে লড়ব।” বক্তব্যটি যতটা
আক্রান্ত বিজেপির খগেন মুর্মু হাসপাতালে শায়িত। মুখে ব্যান্ডেজ। পাশে দাঁড়িয়ে তৃনমূলের ‘মানবিক’ মাননীয়া। অথবা বাম হাতে আঘাত পাওয়া বিজেপির শঙ্কর ঘোষের ডানহাতে ব্যান্ডেজ করে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসা। আর তারপর আচমকা বাংলার বদলা
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রান্তিক অবস্থানে থাকার পর সিপিআইএম এবার এক অভূতপূর্ব কৌশল নিতে চলেছে। দলীয় শীর্ষ সূত্রে জানা
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে প্রতিদিন নতুন নাটক মঞ্চস্থ হচ্ছে। কাগজে-কলমে, টেলিভিশনের পর্দায় কিংবা রাজনৈতিক সভায়, বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসকে একে অপরের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই তুলে ধরা হয়। প্রচারে বারবার বলা হয়, এই লড়াই আসলে বিজেপি