মিডিয়া বাঁচাও – বাংলা বাঁচাও / Mediacracy

বঙ্গ সিপিআই(এম) আয়োজিত বাংলা বাঁচাও যাত্রা যেভাবে উত্তর থেকে দক্ষিণ বাংলার এক বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে বিগত বিশ দিন ধরে চষে ফেললো এবং তাতে সাধারণ মানুষের যে স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি নজরে পড়লো তা নিয়ে আজ সেই যাত্রার পরিসমাপ্তির দিনে দু একটা কথা না লিখলেই নয়।
আলিপুরদুয়ার, মালদা, মুর্শিদাবাদ , নদীয়া , হুগলী এবং উত্তর ২৪ পরগনা, এই পাঁচটি জেলায় এই যাত্রাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের যে অংশগ্রহণ ও উপস্থিতি চোখে পড়েছে তা দেখে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল ও প্রধান বিরোধীদল বিজেপির রাজ্য নেতাদের কপালে যে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে সে খবর ইতিমধ্যেই এসেছে আমাদের কাছে। প্রায় ১৫ বছর ক্ষমতার অলিন্দের ধারেকাছে না থেকেও এবং বঙ্গ মিডিয়ার পক্ষপাতদুষ্ট পরিবেশনায় দীর্ঘদিন পলিটিক্যাল ডিসকোর্সের বাইরে থেকেও বাংলা বাঁচাও যাত্রাকে ঘিরে রাজ্যব্যাপী এই রকম জনসমাগম ঘটানো যে বর্তমান তৃণমূল বা বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের পক্ষে সম্ভব নয় তাও ঠারেঠারে আড়ালে মেনে নিচ্ছেন এই দুইদলের নেতারা। কিন্তু তবুও তা নিয়ে খুব একটা হেলদোল দেখা যায় নি বঙ্গ মিডিয়াতে। বিগত একপক্ষকাল ব্যাপী বাংলা বাঁচাও যাত্রার ফুটেজ বা খবর যেভাবে নির্লজ্জতার সাথে মূলস্রোতের বাংলা সংবাদমাধ্যম গুলি কার্যত ব্ল্যাক আউট করলো তাতে আমাদের মনে হয়েছে এবার যুগান্তর-অমৃতবাজারের জন্মভিঠেতে একটা ‘মিডিয়া বাঁচাও যাত্রা’ জরুরি। যে জরুরি দু-একটা কথা লিখবো বলে এই প্রতিবেদনের অবতারণা তারমধ্যে এটাই আমাদের মনে হল প্রথমে বলাটা জরুরি।
কারণ এই বাংলা বাঁচাও যাত্রাতে উঠে এসেছে আমাদের রাজ্যের সেইসব ইস্যুগুলো যেগুলো মূলস্রোতের মিডিয়া হাউসগুলো বিগত প্রায় এক দশক হলো ব্রাত্য করে রেখেছে। শেষ কবে এই ইস্যু গুলো নিয়ে ঘন্টা খানেক চোখে চোখ রেখে নিউজ চ্যানেল গুলোতে গুরুত্ব সহকারে খবর করা হয়েছে বা ইস্যুগুলোর পর্যালোচনা হয়েছে আপনি মনে করতে পারলে জানাবেন।
তা কি সেই ইস্যুগুলো ? উত্তরবঙ্গের কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ থেকে এই যাত্রা শুরু হওয়ায় প্রথমেই উঠেছে চা-বাগান, চা শ্রমিক ও বনবস্তি বাঁচানোর ডাক। পাশাপাশি উঠে এসেছে ডুয়ার্সের জঙ্গল চুরি এবং সাম্প্রতিক উত্তরবঙ্গের পাহাড় ধ্বস ও বন্যার কথা। তারপর যত যাত্রা এগিয়েছে মানুষ তত এগিয়ে এসে জড়ো হয়ে জানিয়ে গেছে তাদের দাবি দাওয়ার কথা। একে একে সামনে এসেছে মালদা-মুর্শিদাবাদের গঙ্গা ভাঙ্গন এবং নদীবাঁধ গুলোর সংস্কার ও পুনর্নিমাণের দাবি। আমরা দেখতে পেলাম ভূতনির চরের মানুষগুলোর রোজকার লড়াই। জানতে পেরেছি মুর্শিদাবাদের বিড়ি শ্রমিকরা ১০০০ বিড়ি বেঁধে মজুরি পান গড়ে মাত্র ১৪০-১৯০ টাকা যা সরকারি ন্যূনতম মজুরি ২৬৭.৪৪ টাকার থেকে অনেক কম। মানে পশ্চিমবঙ্গ সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি থাকলেও, তা বাস্তবে প্রয়োগ হয় না। আরও জানলে অবাক হবেন এই বিড়ি শ্রমিকদের অধিকাংশই গরীব পরিবারের মা-বোন আর এদিকে আমরা শুনতে পাই রাজ্যে নাকি মা-মাটি-মানুষের সরকার চলছে। সমাজমাধ্যমে সিপিআই(এম) দলের পক্ষ থেকে করা বিভিন্ন পোস্ট থেকে জানতে পারলাম কিভাবে রাজ্যজুড়ে চলছে সারের দেদার কালোবাজারি। পরিযায়ী ও গিগ শ্রমিকদের দুর্দশার কথাও উঠে এলো এই পদযাত্রা থেকে। দাবি উঠলো ১০০ দিনের কাজ পুনরায় চালু করা হোক। আবাস যোজনার টাকা হাতে পেতে কিভাবে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের ‘কাটমানি’ দিতে হয় সেকথাও এই যাত্রায় এসে একরাশ ঘৃণা ও ক্ষোভ নিয়ে জানিয়ে গেছেন আমজনতা। উঠলো কৃষি সমবায় ব্যাঙ্কগুলো দুর্নীতির আখড়া হয়ে লাটে উঠে যাওয়ার কারণে মাইক্রোফিন্যান্স সংস্থার ঋণের জালে ঠিক কিভাবে জরিয়ে পড়ছেন গ্রাম বাংলার পরিবারগুলো, সেই প্রসঙ্গও। গ্রামের পুরুষরা পরিযায়ী হয়ে ভিনরাজ্যে কাজ করতে যাওয়ায় তাদের পাঠানো টাকায় সংসার টানতে না পেরে গরীব পরিবারের মহিলারা বাধ্য হচ্ছেন বিভিন্ন মাইক্রোফিন্যান্স সংস্থার থেকে চড়া সুদে ঋণ নিতে। আর তারপর সাপ্তাহিক বা পাক্ষিক কিস্তির কোন একটা মিস হলেই ঐ মাইক্রোফিন্যান্স সংস্থার লোকজন শাসক দলের স্থানীয় নেতাদের সাথে করে নিয়ে এসে বাড়িতে হুজ্জুতি করছে। বলছে কিডনি বিক্রি করেই হোক অথবা শরীর বেচে বেশ্যাবৃত্তি করেই হোক টাকা ফেরত দিন। আর এভাবেই সামনে এসেছে লক্ষ্মীর ভান্ডারের ওপর গ্রাম বাংলার মহিলারা কেন এতটা নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন তার আসল কারণ। যাত্রা যত এগিয়েছে, এই যাত্রার মানুষের ভিড় সোচ্চারে জানিয়েছে বন্ধ হওয়া সরকারী স্কুলগুলো খুলতে হবে, গ্রামীণ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের গায়ে নীল-সাদা রঙ নয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুলো থেকে পরিষেবা চাই। বাংলার কৃষক ও ক্ষেতমজুররা চাইছে ফসলের ন্যায্য দাম ও পাশাপাশি ফড়ে ব্যবস্থার অবলুপ্তি। উঠেছে স্কুল-কলেজ-কর্পোরেশন থেকে শুরু করে রাজ্য পুলিশ, দমকল সহ সমস্ত রাজ্য সরকারের দপ্তর গুলোর লক্ষ লক্ষ শুন্য পদে স্বচ্ছ নিয়োগের দাবি। এসেছে শিল্পায়ন ও বেসরকারি ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের প্রসঙ্গ। এছাড়াও জায়গায় জায়গায় বিভিন্ন স্থানীয় এলাকা ভিত্তিক ইস্যুও এসে জুড়েছে রাজ্য ভিত্তিক সার্বিক মূল ইস্যুগুলোর সাথে। ঠিক যেমন গাইঘাটার মতুয়াভূমে উঠেছে মতুয়া সমাজের নাগরিকত্ব নিয়ে বিজেপি তৃণমূলের ঘৃণ্য রাজনীতির কথা। এসআইআর আবহে কিভাবে মতুয়াদের ভোটাধিকার রক্ষা করতে সিপিআই(এম) তাদের রাজনৈতিক ও আইনি সাহায্য করবে সে ব্যাপারেও স্পষ্ট রূপরেখা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বাম নেতারা। আবার ভদ্রেশ্বর-নৈহাটি-ভাটপাড়াতে এসেছে বন্ধ জুটমিলগুলো খোলার দাবি, শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি ও পাওনা পিএফএর টাকা আদায় করতে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে তার প্রসঙ্গ। এভাবেই নিবিড় জন সংযোগ করতে করতে মানুষের সাথে জুড়তে জুড়তে হাজার কিলোমিটার পথ পেরিয়েছে বাংলা বাঁচাও যাত্রা।
আমাদের বলতে কোন দ্বিধা নেই এই গুলোই আজকের বাংলার মূল ইস্যু। আমরা রাইজ অফ ভয়েসেস মনে করি এই ইস্যুগুলো পাবলিক ও পলিটিক্যাল ডিসকোর্সে থাকলেই বাংলা বাঁচবে। সেদিক থেকে দেখলে বাংলা বাঁচাও যাত্রা নামকরণ স্বার্থক। অথচ এগুলোকে ভুলিয়ে দিতে বঙ্গ মিডিয়াই শাসকের অঙ্গুলি হেলনে কিছুটা স্বতঃপ্রণোদিত হয়েই আমাদের সবাইকে গীতাপাঠ-কোরান পাঠ, মন্দির-মসজিদ, রোহিঙ্গা -বাংলাদেশী ইত্যাদি ভুলভাল ইস্যুর পিছনে ছুটিয়ে মারছে। একথাটা আমরা রাইজ অফ ভয়েসেস শুরুর দিন থেকে বলে আসছিলাম। আমাদের এই উপরে উল্লেখিত প্রায় প্রতিটা ইস্যুর ওপর প্রতিবেদন আছে। আছে বর্তমান মিডিয়া হাউসগুলোর পক্ষপাতদুষ্ট সাংবাদিকতার সমালোচনাও। আপনারা চাইলে পড়ে নিতে পারেন।
কিন্তু এভাবে মানুষের দাবি দাওয়া নিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণ ১০০০ কিমি পদযাত্রা করে বাংলা কি বাঁচবে?
আমাদের উত্তর খুব স্পষ্ট। এই ইস্যুগুলো এই দাবি দাওয়া গুলো বাঁচলে বাংলা সত্যিই বাঁচবে। এই ইস্যু -দাবিদাওয়া গুলো আদায়ের মধ্যেই রয়েছে বাংলার বেঁচে ওঠার অক্সিজেন।
তাহলে রাজ্যের প্রধান বিরোধীদল বিজেপি ও তাদের দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ইস্যু গুলো ফেলে অনুপ্রবেশ, রোহিঙ্গা, বাংলাদেশী, মন্দির ইত্যাদি নিয়ে হুঙ্কার ছাড়ছেন কেন? সত্যি বলছি এ প্রশ্নের উত্তর আমাদের জানা নেই। তবে কি শাসকদলকে তিনি মানুষের রোজকার জীবন-জীবিকার ইস্যু তুলে বিব্রত করতে চান না? এরও কোন স্পষ্ট উত্তর আমাদের কাছে নেই। উনি মোদীজ্বীর বাচ্চা কথাটা বা রোহিঙ্গা তাড়াও, বাংলাদেশী হঠাও ইত্যাদি বিতর্কিত ফুটেজ ক্যাচি মন্তব্য যতটা জোরের সাথে বলেন মোদীর পুলিশ ইডি-সিবিআই দুর্নীতির তদন্ত করলেও পার্থ-বালু-কেষ্টরা একে একে কি করে জামিন পেল সেই প্রশ্নটা ততটা জোরে তোলেন না। তাই বাংলা বাঁচাও যাত্রার প্রায় প্রতিটা সভায় সেলিম-মিনাক্ষীরা নিয়ম করে “সেটিং” নিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছে বিজেপির দিকে। আর এই সেটিং ইস্যুতে বুথ স্তরের স্থানীয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরাও যে যথেষ্ট বিব্রত ও বিরক্ত তাও আর ইদানীং গোপন থাকছে না। এদের একটা বড় অংশকে ‘এসআইআর’ পর্বে যে এজেন্ট হিসেবে মাঠেই পাওয়া যায় নি সেটাও আম জনতার নজর এড়ায় নি। ইনফ্যাক্ট বাজারে জনশ্রুতি হলো এবার তৃণমূল ফের ক্ষমতায় বসলে বঙ্গ বিজেপির কার্যত ঝাঁপ পড়ে যাবে। এমন আশঙ্কার কথাই শোনাচ্ছেন বিজেপি ঘনিষ্ঠ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সমাজমাধ্যম প্রভাবীরা।
আর যদি উল্টোটা মানে বিজেপি ক্ষমতায় আসে তাহলে! বিজেপি ক্ষমতায় এলে তৃণমূল দলটা ‘লক-স্টক-ব্যারেল’ বিজেপিতে ঢুকে যাবে না, এমন আশঙ্কাটাও আম জনতা মন থেকে একেবারে উড়িয়ে দিতে পারছে না। আসলে বিজেপি দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নিজেই তো তৃণমূল থেকে বিজেপিতে গেছেন। ফলে বঙ্গ বিজেপির পক্ষে এইসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়াটা খুবি অস্বস্তিকর। মহারাষ্ট্রে পাওয়ারের ভাইপো বিজেপির সাথে হাত মেলানোর পরও যখন বিজেপি তাদের ‘সনাতনী’ ভাবমূর্তির ডঙ্কা পেটাতে পারে,তখন বাংলায় ব্যানার্জ্জীর ভাইপো কি দোষ করলো, এমন কথাও ইতি-উতি হাওয়ায় ঘুরছে। আরএসএস তো বলেই রেখেছে ভাইপোর গ্রেপ্তারি গো-হত্যার সামিল। অর্থ্যাৎ কাজী রাজি হয়ে বসে আছে। যদিও ‘মিয়া-বিবি’ রাজি হওয়ার মত পরিস্থিতি তৈরি হওয়া, মানে বিজেপির তৃণমূলকে হারিয়ে ক্ষমতায় আসাটা এই মুহুর্তে কিছুটা কষ্ট কল্পনা বলেই মনে হচ্ছে আমাদের। কিন্তু সত্যি সত্যি বিজেপি ক্ষমতায় বসলে আর ভাইপো সহ তৃণমূল নেতাদের লোটা-কম্বল গুটিয়ে ‘গেরুয়া গমন’ ঘটলে রাজনীতি সম্ভাবনার শিল্প-টিল্প বলে-টলে আজকের এই বঙ্গ মিডিয়া ঠিক যে ম্যানেজ দিয়ে দেবে, এতে আমাদের কোন সন্দেহ নেই।
সব শেষে আসা যাক সেই অপ্রিয় প্রশ্নে…. এই বাংলা বাঁচাও যাত্রা করে সিপিআই(এম) কি বাঁচবে? ‘এপিটাফ’ লেখাটা আপাতত মুলতুবি আছে। ভোটের ঠিক আগে আগে আলিমুদ্দিন যদি জোট ঘোঁট পাকিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ায় তাহলে সিপিআই(এম) বাঁচবে। জোট ও আসন ভাগাভাগি নিয়ে শেষমুহুর্ত পর্যন্ত নিজেদের মধ্যে দড়ি টানাটানি করলে জনমানসে বার্তা চলে যায় যে যারা নিজেরাই একজোট হতে পারছে না তারা মানুষকে একজোট করে লড়বে কিভাবে? কাজেই এ ব্যাপারে আলিমুদ্দিনের আগাম সতর্কতা জরুরি। তবে বাংলা বাঁচাও যাত্রায় যে আশাতীত ভিড় হয়েছে তা অস্বীকার করবার জায়গা নেই। এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে ঠিক তখনই কামারহাটির দেওয়ানপাড়া ময়দানে বিশাল সমাপ্তি সমাবেশ চলছে বাংলা বাঁচাও যাত্রার। মাঠ ছাপিয়ে ভিড় আর ভিড়ই কিন্তু লাইন দিয়ে ভোট দেয়! কাজেই এই বাংলা বাঁচাও যাত্রা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে সিপিআই(এম) যে কিছুটা অক্সিজেন পেল তা বলাই বাহুল্য।
আর শেষে আবার বলছি, বাংলাকে বাঁচাতে হলে হয় মৃতপ্রায় শাসক পোষ্য বঙ্গ মিডিয়াকে বাঁচাতে হবে, শাসকের পায়ের কাছে লেজ নাড়া পোষ্যের মত ঘুরঘুর না করে, ভুল ইস্যুর পেছনে না ছুটে, বাংলার মূল ইস্যুগুলো নিয়ে নিরপেক্ষভাবে বাংলার মিডিয়াকে কথা বলতে হবে অথবা বাংলার মানুষকে মিডিয়ার ভুল ঘূর্ণাবর্ত এড়িয়ে নিজেদেরকেই নিজেদের রোজকার জীবনের মূল ইস্যুগুলো নিয়ে সোচ্চার হতে হবে এবং সেইমত আগামী দিনে ভোট দিতে হবে। এ ছাড়া বাংলার বেঁচে ওঠার আশা ক্ষীণ। না হলে বর্তমান কোমাচ্ছন্ন দশাটা চলবে। সাথে সার্বিক অধঃপতনটাও ত্বরান্বিত হবে।
ধন্যবাদান্তে
রাইজ অফ ভয়েসেস





Comments are closed.